পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

সামনে বিদ্যাসাগরের জন্মদিন ওদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গায়কের প্রবেশ এবং ধুন্ধুমার । তাই নিয়েই হুতোমের নকশা।

Read more


একটা বিবস্ত্র সমাজের উলঙ্গ শিক্ষাব্যবস্থায় নগ্ন হয়ে বারবার মাটিতে আছড়ে পড়বে স্বপ্নদীপ।কোনও অন্যায়ের প্রতিবাদের ভূমি হিসেবে জানতাম যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে, সে যত বাইরের বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ করেছে তার একশতাংশ প্রতিবাদও যদি নিজের অন্ধকারের বিরুদ্ধে করত তাহলে এই দ্বিচারিতার কালিমা, এই বিশ্বাসভঙ্গের আঘাত তাকে সইতে হত না। এখন অনেকেই কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কিংবা হোস্টেলে নজরদারি ক্যামেরা বসানোর কথা বলছেন, ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নজরদারি চোখ বসালে কী র‍্যাগিংস্পৃহা কমবে?

Read more


মদ গাঁজা নেশা এবং আরও কিছু অপকর্ম শুধু যে যাদবপুরেই হয় বা কেবল একালেই হয়, এমন নয়। আমাদের ছাত্র দশায় (১৯৭০-৭৭) কলকাতার প্রায় সব কলেজেই এই সব উপকরণের চর্চা ছিল। তখন অবশ্য কোথাও র‍্যাগিং থেকে মৃত্যু ঘটেছে বলে শুনিনি। এ আমাদের সমাজের আর এক সমস্যা। তাহলে কেন শুধু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এই দোষে দোষী করা হচ্ছে? আসলে যাদবপুর, ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে একটা জোরালো কণ্ঠস্বর। তাই সেই শক্তি চাইবেই, কীভাবে এই যাদবপুরের মুখ বন্ধ করে রাখতে হয়। ভবিষ্যতে যাতে, এই যাদবপুর কোনও আওয়াজ না তুলতে পারে, তাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের হেয় করার চেষ্টা?

Read more


যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ছাত্রের মর্মান্তিক ঘটনার প্ররিপ্রেক্ষিতে, আওয়াজ উঠছে, পুরো বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরকে নজরদারি ক্যামেরা দিয়ে মুড়ে দেওয়ার। কিন্তু এই প্রক্রিয়া নিলেই কি র‍্যাগিং সমস্যার সমাধান হবে? নাকি র‍্যাগিং সমস্যাকে সামনে রেখে, মুক্তচিন্তা, মুক্ত পরিসরকেই বন্ধ করতে চাইছেন কেউ কেউ ? বিশ্ববিদ্যালয়কে কি 'চলো নিয়ম মতে' বললেই চালানো সম্ভব? , র‍্যাগিং বন্ধ করা সংক্রান্ত আলোচনা চলে যাবে, পিছনের সারিতে, আর বিশ্ববিদ্যালয়টিকেই জনমানসে হেয় করা হবে। নজরদারি ক্যামেরা তো ছুতো, আসল উদ্দেশ্য কি অন্য কিছু? এখনই কি এই বিষয়ে ভাবার সময় নয়?

Read more


ন্যাকের খাতায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎকৃষ্টতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠার কথাই নয়। বিশেষত তার মানের কাছে কোনো আপোষ ধোপে টেকে না। এ হেন বিশ্ববিদ্যালয় যখন অশান্ত হয়ে ওঠে একটি সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এবং তাতে রাষ্ট্র তার ক্ষমতা প্রদর্শনের ক্ষেত্র হিসাবে নিজের আধিপত্যকামী মনোভাবকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরে রক্তে ভেজায় প্রতিষ্ঠানের মাটিকে তখনই একরাশ প্রশ্নের জন্ম হয়।

Read more


শাসক শ্রেণীর প্রোপাগান্ডায় রাষ্ট্রযন্ত্রে যখন 'আইনি' ও 'বেআইনি' এবং দেশদ্রোহিতার প্রসঙ্গ উঠে আসে তখন এদেশের মাটির চরিত্র, ইতিহাসকে প্রশ্ন করতে হয়, কারা এসবের বিরুদ্ধে কাজ করে আসছে? কারা আদতে দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছে? আদপে দেশের মাটির বিরুদ্ধে যারা কাজ করছে, যারা দেশের ইতিহাসের বিরুদ্ধে কাজ করছে, যারা দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করছে, এদেশের নির্বাচন পরিচালনা করছে, দেশের জনগণের সম্পদ লুঠ করছে, তারাই যে প্রকৃত দেশদ্রোহী, এ কথা একটি নিষ্পাপ শিশুও বোঝে।

Read more